এই হেমন্তে হৃদয়কে দেব কৃষিঋণ
অমিয়ভূষণ মজুমদারকে
ডেকে নিয়ে যাবো পাড়ার পার্কে :
'আরো উষ্ণতা রাখুন, আমায় পাঠক হিসেবে বেছে নিন' -
যদি তাঁর লেখা নতুন উপন্যাসে
পঁচিশ পাতার পরে মন না আসে
ইস্তফা দিয়ে মননের সন্ন্যাসে
আদিবাসীদের সঙ্গে সহজ যুক্তাক্ষরে মেতে যাবো জুমচাষে !
- অলোকরঞ্জন দাসগুপ্ত
লঘু সংগীতে ভোরের হাওয়ায় (প্রমা প্রকাশনী ১৯৭৮ / ১৩৮৫) কাব্যগ্রন্থে সংকলিত
অমিয়ভূষণকে পাঠ করতে বর্ণপরিচয়ই যথেষ্ট নয়। কিষাণের ঘামে ভেজা ফসলে তৈরী খাবার যেমন দেহমনের পুষ্টির জন্য প্রয়োজন, তবে তাকে হজম করার শক্তি খাদকের থাকতে হবে; তেমনই মননের পুষ্টির জন্য অমিয়ভূষণকে পাঠ করে হজম করতে হবে। তার জন্য শিশুখাদ্যের হজমশক্তির পর্যায় পার হয়ে কন্টিনেন্টাল ডিশের খাবার হজম করার ক্ষমতায় পাঠককে পৌঁছাতে হবে। আর সেই ক্ষমতায় পৌঁছবার একটাই পথ - পড়ুন, আরো পড়ুন, অমিয়ভূষণ মজুমদারের লেখা বারবার পড়ুন। জন্মশতবর্ষে এটাই হোক তাঁর প্রতি বাংলা-পাঠকের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী
আপনাদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করছি। তবে তাঁর বিভিন্ন বয়েসের/ অনুষ্ঠানের/ পুরস্কার প্রাপ্তির কিছু আলোকচিত্র সংযোজিত হলে ভাল হতো। পাশাপাশি তাঁর প্রাপ্ত স্মারক চিহ্ন/ট্রফির (যেমন বঙ্কিম ও একাডেমি) ছবি এই ওয়েবসাইটে দিলে সবাই দেখতে পেতেন।
অমিয়ভূষণ মজুমদারের সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী। আপনার অন্তর্দৃষ্টি এবং অভিজ্ঞতা আমাদের পাঠক সম্প্রদায় গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
আপনার মতামত জানান